| |

অধ্য ও মাধ্যমিক শিা অফিসারের বিরুদ্ধে অভিভাবকদের বিােভ : পুলিশ মোতায়েন

আপডেটঃ 10:11 pm | August 27, 2016

Ad

ঈশ্বরগঞ্জ সংবাদদাতা: ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে উচাখিলা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঘেরাও করে বিােভ করেছে অভিভাবকরা। গতকাল শনিবার দুপুর ২টায় বিদ্যালয়ের আসন্ন  গভর্ণিং বডির নির্বাচন কে কেন্দ্র করে অভিভাবকরা ওই বিােভ কর্মসূচি পালন করে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ক্যম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
জানা যায়, বিদ্যালয়ের পূর্বের গভর্ণিং বডির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুন গভর্নিং বডি গঠনের ল্েয  সরকারি বিধি মোতাবেক ৯ আগষ্ট তফসিল ঘোষণা করা হয়। আজ রোববার (২৮ আগষ্ট) নির্বাচনের দিন ধার্য করা হয়। নির্বাচনে মোট ৭জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দেন। নির্বাচনী তফসিলে প্রিজাইডিং অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিা অফিসার প্রতীক বরাদ্দের বিষয়টি তফসিলে না আনায় কয়েক জন প্রার্থী বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করেন। এতে প্রিজাইডিং অফিসার কর্ণপাত না করলে প্রতীক ছাড়া নির্বাচন করবেন না বলে ৬জন অভিভাবক তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন এবং বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করেন। পরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিা ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি)  শারমিন জাহান স্বারিত ২২ আগষ্ট এক চিঠিতে  প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে নির্বাচন গ্রহনের নির্দেশ দেন। তার নির্দেশকে  কৌশলে উপো করে  প্রতীক বরাদ্দ না দিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করে এবং অভিভাবকদের আর কোন ভোটের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়ে দেন। এতে অভিভাবকরা বিুব্ধ হয়ে শনিবার দুপুর দুইটায় বিদ্যালয় ঘেরাও করে অধ্য ও মাধ্যমিক শিা অফিসারের বিরুদ্ধে বিােভ করে উক্ত নির্বাচন বতিলের দাবি জানান। নির্বাচনে স্কুল শাখায় ১৫৫১ ও কলেজ শাখায় ২৪২ জন ভোটার ছিলেন।
অভিভাবক সদস্য প্রার্থী হারুন অর রশিদ বলেন, নির্বাচনের প্রিজাইডিং অফিসার ও মাধ্যমিক শিা কর্মকর্তা ছফিউল্লা সরকার মোটা অংকের টাকা ঘোষ খেয়ে প্রতীক ছাড়াই অধ্যরে পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে পায়তারা করছে। অভিভাবক সদস্য প্রার্থী নূরুল হক সরকার, আব্দুস ছালাম সরকার ও হেলাল উদ্দিন জানান, তাদের কে কৌশলে নির্বাচন থেকে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করানো হয়েছে।
বিদ্যালয়ের অধ্য মো. আদুল হালিম জানান, শিা মন্ত্রণালয় কর্তৃক বেসরকারি শিা প্রতিষ্ঠানে অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন বিধিমালা ২০০৯ অনুসরণ করে প্রতীক বরাদ্দ ছাড়াই যথা নিয়মে নির্বাচনী তফসিল দেওয়া হয়। এতে কয়েক জন ুব্ধ হয়ে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নির্বাচন বাতিলের দাবি জানান। তবে শুধু শিকদের ভোট রবিবার উপজেলা পরিষদে অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনের প্রেজাইডিং অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিা অফিসার মো: ছফিউল্লাহ সরকার বলেন, বিধিতে যা আছে আমি সে মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। যারা বিােভ করছে তারা আগেই মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
এস আই গোলাম মওলা জানান, কিছু অভিভাবক বিােভ করে প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের চেষ্টা করলেও তাদের বাধার কারণে প্রবেশ করতে পারেনি। এখন পরিবেশ শান্ত রয়েছে।

ব্রেকিং নিউজঃ