| |

ইতিহাসে প্রতিদিন আজ (রোববার) ১১ সেপ্টেম্বর’২০১৬

আপডেটঃ 1:35 am | September 11, 2016

Ad

(টুইন টাওয়ার ট্র্যাজেডি)
১১ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর ইতিহাসে ভয়ঙ্কর এক সন্ত্রাসবাদী হামলা সংঘটনের দিন। ২০০১ সালের এ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে ওড়া ৪টি বিমান ছিনতাই করে ১৯ জন মার্কিনবিরোধী যুবক সৃষ্টি করে সন্ত্রাসবাদের ঘৃণ্যতম ইতিহাস। মার্কিনিদের দন্ত আর গর্বের প্রতীক বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র টুইন টাওয়ারের ১১০ তলা ভবন গুড়িয়ে দেয় মুহুর্তের মধ্যে একইভাবে সুরক্ষিত পেন্টাগন ভবনেও হামলা চালিয়ে ওইসব যুক্তরাষ্ট্র সারা দুনিয়ায় যে ষড়যন্ত্র আর চক্রান্তের জাল বিস্তার করে চলেছে, তার জবাব অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে হলেও দেয়া সম্ভব। নিউয়র্কের টুইন টাওয়ার এখন গ্রাউন্ড জিরো, সেদিনের সে হামলার ভয়াবহতার সাক্ষী । হামলায় নিহত ও নিখোজ ৪ হাজার ৪৭১ জনের পরিবারও বহন করছে সেদিনের সেই ভয়াবহ ক্ষত। এসব মানুষ আর কোনোদিন ফিরবে না তাদের প্রিয়জনের কাছে।

১১ সেপ্টেম্বরের হামলায় হতাহতের আসল পরিসংখ্যান হয়তো কোনদিন জানা যাবে না। কেননা, এ হামলা কেবল একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কয়েকজন ক্ষুব্ধ, হতাশ, প্রতিশোধপরায়ণ যুবকের চরম হিংসার বহিঃপ্রকাশ নয় এ হামলার পরিণাম আরো ব্যাপক, সুদূরপ্রসারী। ১১ সেপ্টেম্বর পাল্টে দিয়েছে সারা দুনিয়াকে, পাল্টে দিয়েছে মানুষের ধ্যান-ধারণা, রাষ্ট্রীয় চরিত্র, বিশ্ব ব্যবস্থার গতি-প্রকৃতি । স্বাধীন সার্বভৌম দেশে শক্তিশালী রাষ্ট্রের আগ্রাসন ও আগাম হামলার প্রেক্ষাপটও তৈরি করেছে ১১ সেপ্টেম্বর। সন্ত্রাসবাদবিরোধী যুদ্ধ, প্রি-এমটিভ স্ট্রাইক ডকটিন নামে জাঙ্গুলে নীতির বাস্তবায়ন হয়েছে কার্যত সেদিনের সে হামলার পথ ধরে। এ হামলার পথ ধরেই ধ্বংস হয়েছে আফগানিস্তান। ধ্বংস হয়েছে হাজার হাজার বছরের পুরোরো সভ্যতার পিঠস্থান ইরাক। ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পরিণতিতে আরো কতো রাষ্ট্র কত নগর, বন্দর ধ্বংস হবে, কতো লক্ষ-কোটি মানুষের প্রাণ যাবে কেউ জানে না। তারপরও মানুষের প্রতিবছর এই ১১ সেপ্টেম্বরকে স্মরণ করবে।

১২৯৯ সালের ২১ শে শাহরিভার ইরানের সাংবিধানিক আন্দোলনের অন্যতম নেতা শেখ মোহাম্মদ খিয়াবনি শাহাদত বরণ করেন। তার শাহাদাতের মাধ্যমে ইরানের তাবরিয শহরে এ আন্দোলন একেবারে স্তিমিত হয়ে পড়ে। তিনি ধর্ম তত্ত্বের উপর পড়ালেখা করেন এবং কাজার রাজ বংশের জুলুম ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। তিনি অশিক্ষা, কুশিক্ষা এবং দেশকে বিজাতীয় প্রভাব ও সংস্কৃতি থেকে মুক্ত করা অত্যন্ত জরুরী বলে মনে করতেন। দেশের অভ্যন্তরে শাসকদের স্বৈরাচারী নীতি এবং বিদেশীদের হস্তক্ষেপকে তিনি মুসলিম সমাজের পশ্চাতপদতার অন্যতম কারণ হিসাবে চিহ্নিত করেন। ১৯১৯ সালের এই দিনে ইরানের ওসুকুদ্দৌলা সরকার বৃটেনের সাথে জাতীয় স্বার্থ বিরোধী একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এরপর থেকে তিনি তাবরিয শহরে এই সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলেন। এক পর্যায়ে তিনি তাবরীয শহরের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করতে সক্ষম হন। কিন্তু অবশেষে সরকারী বাহিনীর সাথে এক অসম সংঘর্ষে তিনি বন্দী হন এবং তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় ।

১৯৪৮ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের স্থপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পরলোক গমন করেন। ১৮৭৬ সালে তিনি করাচীতে জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯০৬ সালে তিনি মুসলিম লীগ গঠন করেন। মুসলিম লীগ শুরুর দিকে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক তৎপরতাকে প্রাধান্য দিলেও পরবর্তীতে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে। এ দলটি মুসলমানদের জন্য স্বাধীন একটি রাষ্ট্রের দাবীতে সোচ্চার হয়ে ওঠে। মোহাম্মদ আলী জিন্নার জোর প্রচেষ্টা ও তৎপরতায় ভারতের অনেক মুসলমান মুসলিম লীগে যোগ দেয় এবং এ দলটি উপমহাদেশের একটি প্রভাবশালী দল হিসাবে আত্ম প্রকাশ করে। অবশেষে ১৯৪৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নার নেতৃত্বে বৃটিশ অধ্যুষিত ভারতীয় উপমহাদেশ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান ও ভারত রাষ্ট্রের উদ্ভব হয় ।

বিখ্যাত বিজ্ঞানী আল বেরুনীর মৃত্যু (৯৭৩)
কবি সুফী মোতাহার হোসেনর মৃত্যু (১৯০৭)
প্যালেস্টাইনে ব্রিটিশ ম্যান্ডেট ঘোষণা (১৯২২)
নিজামের হায়দরাবাদ রাজ্যে ভারতের দখল কায়েম (১৯৪৮)
কায়দে আযম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর মৃত্যু (১৯৪৮)
সোভিয়েত রাষ্ট্রনায়ক নিকিতা ক্রশ্চেভের মৃত্যু (১৯৭১)
চিলির নির্বাচিত সরকার প্রধান সালভেদর আলেন্দেকে হত্যা করে প্রতিবিপ্লবীদের ক্ষমতা দখল (১৯৭৩)
কিউবা থেকে সোভিয়েত ফৌজ প্রত্যাহারের ঘোষণা (১৯৯১)
মনিকার সঙ্গে যৌন কেলেংকারির অভিযোগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের ক্ষমা প্রার্থনা (১৯৯৮)

ব্রেকিং নিউজঃ