| |

চর্মরোগের জন্য প্রাকৃতিক চিকিৎসা

আপডেটঃ 4:36 pm | September 25, 2016

Ad

লাইফস্টাইল: ত্বকে লাল লাগ দাগ হয়ে চুলকানি তৈরি করে। যা মূলত অ্যালার্জি থেকে হয়।
অ্যালার্জির কারণে শরীর থেকে প্রোটিন নির্গত হয় যা হিস্টামিন নামে পরিচিত। এর ফলে শরীরের চুলকানি, ফোলা  লালচে-ভাবসহ নানা রকমের উপসর্গ দেখা দেয়।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায় এই ধরনের চর্মরোগের জন্য রয়েছে প্রাকৃতিক চিকিৎসা।

ওটমিল: ওটমিলের আছে অ্যান্টি-ইরিটেটিং, অ্যান্টি-ইনফ্লামাটরি এবং শীতলকারী বৈশিষ্ট্য যা চুলকানি থেকে মুক্তি দিতে এবং রোগনিরাময় করতে সাহায্য করে।

ব্যবহার: দুই কাপ ওটমিল ও দুই টেবিল-চামচ কর্নস্টার্চ-এর সঙ্গে পানি মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। আক্রান্তস্থানে মিশ্রণটি লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

আদা: আদায় রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লামাটরি ও অ্যান্টিহিস্টামিন উপাদান যা ফুস্কুড়ি থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে। এটি ত্বকের রক্তসঞ্চালন বাড়ায়, ফোলাভাব দূর করে এবং চুলকানি কমায়।

ব্যবহার: এক কাপের তিন-চতুর্থাংশ পরিমাণ ভিনিগারের সঙ্গে এক কাপের এক-তৃতীয়াংশ লাল চিনি এবং এক টেবিল-চামচ আদা ১০ মিনিট ধরে ফোটাতে হবে। মিশ্রণে একটি তুলার বল ভিজিয়ে তা আক্রান্ত স্থানে লাগাতে হবে।

হলুদ: হলুদ অ্যান্টি-ইনফ্লামাটরি ও আন্টিসেপ্টিক উপাদানের জন্য বেশ। হলুদের উপাদানগুলো শরীরে কর্টিকোস্টেরোয়েড তৈরি করে যা শরীরে প্রাকৃতিকভাবেই প্রদাহ ও জ¦লুনি নাশক হিসেবে কাজ করে। এর অ্যান্টিহিস্টামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা র‌্যাশসহ নানা ধরনের চর্মরোগ নিরাময়ে সাহায্য করে।

ব্যবহার: এক গ্লাস গরম দুধের সঙ্গে এক চামচ হলুদগুঁড়া মিশিয়ে সপ্তাহে দুইবার খেতে হবে। বিঃদ্রঃ- তবে যদি ‘ব্লাড থিনারের’ জন্য ওষুধ খেয়ে থাকলে হলুদ না খাওয়াই ভালো।

আনারস: আনারসে আছে ব্রমেলিন নামক উপাদান যা, র‌্যাশের ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে।

ব্যবহার: খানিকটা আনারস পিষে নিয়ে তা একটি সুতি কাপড়ে পুড়ে থলের মতো তৈরি করতে হবে। এরপর এটি আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রস শোষণের জন্য খানিকটা সময় দিতে হবে।

ব্রেকিং নিউজঃ