| |

ধর্মমন্ত্রী‘কে লাড্ডু খাওয়ানোর মধ্যদিয়ে প্রমান করলো মেয়র টিটু “ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”

আপডেটঃ 3:00 am | October 12, 2016

Ad

মো: মেরাজ উদ্দিন বাপ্পী:  বাংলাদেশে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে তাদের ধর্ম পালন করে। বাংলাদেশের মানুষ প্রমাণ করেছে, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।
শারদীয় দূর্গোৎসব ও বিজয়া দশমীর প্রতিমা বিসর্জন মঞ্চে ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমানকে লাড্ডু খাওয়ানোর মধ্যদিয়ে তা প্রমান করলো ময়মনসিংহ পৌরসভার মেয়র আওয়ামীলীগ নেতা মো: ইকরামুল হক টিটু।
মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) রাতে নগরীর কাচারী সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদের বিসর্জন ঘাটে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এমনকি উপজাতি ধর্মে যারা বিশ্বাসী তারা সবাই এই পূজা উৎসবে অংশ গ্রহন করেন।
বিকেল থেকে ব্রহ্মপুত্র নদে পূজারীরা নির্বিঘেœ মা দেবীকে বিসর্জন দেয়। এবার সম্পূর্ণ নিরাপত্তা ও পৌরসভার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বিসর্জন ঘাটে সনাতন ধর্মালম্বীরা নিঃশঙ্কচিত্তে ও নির্বিঘেœ প্রতিমা বিসর্জন দেয়ায় পূজারীদের মাঝে বয়েছে আনন্দের ধারা। বিকেল ৫ টা থেকে শুরু হওয়া প্রতিমা বিসর্জন চলে রাত ১২টা পর্যন্ত।
প্রতিমা বির্সজন মঞ্চে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় ময়মনসিংহ পৌরসভার মেয়র আওয়ামীলীগ নেতা মো: ইকরামুল হক টিটুর সভাপতিত্বে ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফারুক হাসানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোঃ খলিলুর রহমান, অতিরিক্ত ডিআইজি ড. আক্কাছ উদ্দিন ভূইয়া, জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ নূরুল ইসলাম, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এড. প্রণব সাহা, সাধারণ সম্পাদক এড. রাখাল চন্দ্র, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি এড. বিকাশ রায়, পৌরসভার প্যানেল মেয়র-২ নজরুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহিত-উর-রহমান শান্ত, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক প্রদীপ ভৌমিক, যুগ্ন আহবায়ক পীযুষ কান্তি সরকার, সদস্য সচিব চক্রবর্তী রকেট, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম তারিকুল ইসলাম প্রমুখ।
এদিকে, বিসর্জনের স্থানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, র‌্যাব ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ পৌরসভার মেয়র মো: ইকরামুল হক টিটু বলেন, আবহাওয়ার কারনে দশমীর নানান আনুষ্ঠানিকতা কিছুটা বিলম্ব হলেও ব্রহ্মপুত্র নদের বিসর্জন ঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো পুজাউৎসবে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভালো ছিল।
এর আগে বিকেলে নগরীর দূর্গাবাড়ী মন্দির থেকে বিজয়া’র শোভাযাত্রা শহর প্রদক্ষিণ শেষে নগরীর কাচারী সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদে বিসর্জন ঘাটে মা দেবীকে বিসর্জন দেয়ার মাধ্যমে শুরু হয় পূজারীদের প্রতিমা বিসর্জন।

ব্রেকিং নিউজঃ