| |

জনপ্রতিনিধিদের ভোটে কর্মীবান্ধব নেতা অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান নির্বাচিত

আপডেটঃ 2:57 pm | December 29, 2016

Ad

মো: মেরাজ উদ্দিন বাপ্পী ময়মনসিংহ :
ময়মনসিংহে জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান ১৭ শত ৩১  ভোট পেয়ে আনারস প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ।
বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) দেশের ৬১টি জেলায় একযোগে এ নির্বাচন আয়োজন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ভোটে সুদক্ষ সংগঠক ও কর্মীবান্ধব নেতা অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান নির্বাচিত হয়েছেন।
অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান ১৯৫৪ সালে ১৪ই মার্চ ময়মনসিংহ শহরের বাঘমারায় জন্ম গ্রহন করেন। উনার পিতা মৃত তাহের আলী খান পাঠান। মাতা মৃত খাতেমুন নেছা। উনি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে এস.এস.সি, আনন্দ মোহন কলেজ থেকে এইচ.এস.সি ও ঢাবা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজকর্ম বিভাগ থেকে বি.এস.এস (সম্মান) ও এম.এস.এস পাশ করেন।
কর্মজীবনে উনি ছিলেন নান্দাইল শহীদ স্মৃতি আদর্শ কলেজের সমাজ কল্যান বিভাগে সহকারী অধ্যাপক। জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন কর্মী হিসাবে তিনি ছাত্র রাজনীতি শুরু করেন। তিনি ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ডাকসু‘র ভারপ্রাপ্ত ক্রীড়া সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক হিসাবে জহুরুল হক হল ছাত্র সংসদের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাবেক যুগ্ন আহবায়ক ও সাবেক সভাপতি ও সাবেক সাধারন সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাবেক সদস্য ছিলেন।
বিশিষ্ট ক্রীড়াবীদ ও ক্রীড়া সংগঠক হিসাবে ময়মনসিংহ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সহ সভাপতি ও ২বারের জন্য যুগ্ন সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ এ্যাথলেটিক ফেডারেশনের সদস্য ও বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং রাইফেল্স ক্লাবের আজীবন সদস্য।
অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠানের বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবন রয়েছে। ‘৭৫ পরবর্তী সময়ে ৩রা নভেম্বর গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ নজরুল ইসলামকে জেলখানায় হত্যার পর তার মৃতদেহ যে কয়জন সাহসী যুবক তৎকালীন খুনী মোস্তাক সরকারের কাছ থেকে দাফন করার জন্য শহীদ বীরমুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ নজরুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের সাথে লাশ গ্রহন করে ছিলেন অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান ছিলেন তাদের মধ্যে একজন।
‘৭৫ পরবর্তী সময় থেকে শুরু করে যতগুলি সৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রাম হয়েছে অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান যুবলীগের একজন নেতা হিসাবে সাহসীকতার সহিত সেই সমস্ত আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
তিনি জেলা যুবলীগকে তৃনমুল পর্যন্ত ৭৫ পরবর্তী সময় থেকে জেলা যুবলীগের সভাপতি/সাধারন সম্পাদক থাকা পর্যন্ত আওয়ামী যুবলীগকে একটি সুদৃঢ় ভিত্তির উপর দাড় করিয়ে ছিলেন।

ব্রেকিং নিউজঃ