| |

কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের মিথ্যা মামলায় হয়রানীর অভিযোগ

আপডেটঃ 9:28 pm | February 11, 2017

Ad

ত্রিশাল অফিস ॥ ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানী করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানাযায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার খন্দকার এহসান হাবীব এর নিজস্ব ফেসবুক আই ডি তে  প্রদেয় ট্যাটার্স নিয়ে ফেজবুকে ট্যাটার্স প্রদান কারী খন্দকার এহসান হাবীবের সাথে ট্যাটার্স প্রদানে এহসান হাবীবকে সহায়তা দেয়ার অভিযোগ এনে গত ৪ র্ফ্রয়োরী ময়মনসিংহ সদর মডেল থানায় দিদারুল আলম ও ৫ ফেব্রয়ারী ত্রিশাল থানায় ফজলে রাব্বী বাদী হয়ে এহসান হাবীবের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্টার আমিনুল ইসলাম, সহকারী রেজিষ্টার আফরোজা সুলতানা ও সহকারী রেজিষ্টার আমিনুল ইসলামের নামে ও পৃথক তিনটি  মামলা দায়ের করে। এব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্টার আমিনুল ইসলাম জানান-বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিষ্টার খন্দকার এহসান হাবীব তার নিজস্ব ফেইস বুক আইডি থেকে দেয়া স্ট্যাট্যার্সটি বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপর্ক্ষের গোচরে আসলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড.মোহীত উল আলম মহোদয় গত ২/২/২০১৭ তারিখে বিষয়টি সুষ্ঠ তদন্ত করার জন্য  ট্রেজারার প্রফেসর এএমএম শামসুর রহমানকে আহবায়ক এবং রেজিষ্টার আমিনুল ইসলাম(আমাকে)সদস্য সচিব করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। ৪ র্ফেরয়ারী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এহসানকে সাময়িক বরখাস্ত ও করা হয়। গঠিত তদন্ত কমিটির কার্যক্রম চলাবস্থায় ৪/২/২০১৭ ইং তারিখে ময়মনসিংহ সদর থানায় এবং ৫/২/২০১৭ ইং তারিখে ত্রিশাল থানায় এহসান হাবীবের বিরুদ্ধে মামলা হয়। কিন্তুু একটি স্বার্থন্বেসী মহল এই তদন্ত কার্যক্রমকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করার জন্য এবং আমার চাকুরীর ক্ষতি সাধন করে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগের তথ্য প্রমান ছাড়ায় মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে উক্ত মামলার এজাহারে আমার নাম অর্ন্তভূক্ত করেছেন। সহকারী রেজিষ্টার আফরোজা খানম জানান কেউ যদি তার ব্যক্তিগত একাউন্ট থেকে ট্যাটার্স দেয় সেটা তার একান্তই ব্যক্তিগত ব্যাপার তার ট্যাটার্সের ব্যাপারে আমি কখনোই অবগত ছিলামনা । ট্যাটার্সটিতে আমার কোন লাইক কিংবা কমেন্ট নেই,কাজেই তার ট্যাটার্সের সাথে জড়িত থাকার কোন কারই নাই। শুধু মাত্র  হয়রানী করার জন্যই আমাদেরকে এমন একটি মামলায় জড়ানো হয়েছে। উদ্দেশ্য মূলক ভাবে মামলাটিতে জড়িয়ে হয়রানী করা হচ্ছে। তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা করলে সেক্ষেত্রে ডকুমেন্ট দেয়ার কথা থাকলেও এ ধরনের কোন ডকুমেন্ট উপস্থাপন করা হয়নি।

ব্রেকিং নিউজঃ