| |

শেরপুর জেলার বিভিন্ন বাজারের কিছু দোকানী দিগুন লাভে নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রি করছে

আপডেটঃ 9:59 pm | February 16, 2017

Ad

মোঃ আবু রায়হান, ঝিনাইগাতী ॥ শেরপুর জেলার বিভিন্ন বাজারের কিছু দোকানী সরকারী নিষেধ উপেক্ষা করে দিগুন লাভের আশায় নিষিদ্ধ পলিথিন লুকিয়ে রেখে বিক্রি করছে। শেরপুরে জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাজারগুলিতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে সরকার নিষিদ্ধ পলিথিন। পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতির কারণে পরিবেশবিদ ও সরকারী সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরিবেশ দূষিত হওয়ার কারণে পলিথিন বাজারজাত করণ দন্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু এই সরকারী নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করে আইনের প্রতি তোয়াক্কা না করে অপেন সিকরেটে বিভিন্ন দোকানীরা ২/৩ গুন লাভের কারণে দোকানীরা নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রি করছে। এছাড়াও পাশাপাশি কিছু দোকানী সরকারী নিষিদ্ধ অধিক মুনাফার লোভে কারেন্ট জালও বিক্রি করছে। পানের দোকান থেকে শুরু করে ছোট-বড় শপিংমহল, কাঁচা বাজার, হোটেল-রেষ্টুরেন্ট, মোদী-মনোহারীসহ প্রায় সকল দোকানেই নিষিদ্ধ পলিথিনের বিক্রি ও ব্যবহার করে আসছে। পরিবেশ মারাত্মক ভাবে হুমকির মুখে পড়ার কারণে পরিবেশবিদদের প্রবল আপত্তির মুখে পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে সরকার। বর্তমানে অধিকাংশ বাজারগুলোতে মাছ, শাক-সবজি থেকে শুরু করে কাপড়-জুতাসহ নানা কাজ চলছে এই পলিথিন ব্যাগে। ১৯৮২ সাল থেকে বাণিজ্যিক ভাবে বাংলাদেশে পলিথিন ব্যবহার হয়ে আসছিল। ২০০২ সালের ৮ এপ্রিল তৎকালিন সরকার পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, ব্যবহার ও পরিবহন নিষিদ্ধ করে। নিষিদ্ধ ঘোষনার পর এর বিরুদ্ধে অভিযান এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের কারণে উৎপাদন এবং ব্যহার সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। পরিবেশ রক্ষার্থে ওই সময় এ উদ্যোগে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিল। কিন্তু ২০০৭ সালে তৎকালিন সরকার ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পর উপযুক্ত তদারকি এবং পরিবেশ সম্মত শপিং ব্যাগ না থাকার কারণে পূনরায় নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন আবারও বাজারে সয়লাব হয়ে যায়। প্রকাশ থাকে যে, পরিবেশবিদদের মতে, নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন কঠোর হস্তে দমন ও বাজারজাত বন্ধ করতে না পারলে, পরিবেশ হুমকির মুখে চলে যেতে বাধ্য। তাই অবিলম্বে পাঠ ও কাগজের শপিং ব্যাগ ব্যবহার বৃদ্ধি করে বাংলাদেশকে দূষণ মুক্ত পরিবেশ গড়ার লক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া অতিব জরুরী উর্ধ্বতন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। অপরদিকে সরকারের নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের ব্যবহার করে মাছের পোনা ও ছোট মাছ ধরার ফলে মাছ শূন্য হয়ে পড়েছে আজ সারাদেশ। এভাবে চলতে থাকলে দেশীয় জাতের কোন মাছই আর দেখা মিলবে না। তাই অবিলম্বে নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের ব্যবহার বন্ধের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী জানিয়েছে বিজ্ঞ মহল।

ব্রেকিং নিউজঃ