| |

আন্তরিকতা ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

আপডেটঃ 6:28 am | February 22, 2017

Ad

মো: মেরাজ উদ্দিন বাপ্পী, ময়মনসিংহ :  সময়টা মাত্র কিছুদিন এক বছর কয়েক মাস। এরই মধ্যে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন আহমেদ গত এক বছর কয়েক মাসে প্রতিষ্ঠানটির আমুল পরিবর্তন এনেছেন। এখানে সেবা নিতে আসা প্রায় সকলেই একথা জানিয়েছেন।

গত কয়েক মাস যাবৎ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দুর্নীতিবাজ কিছু মহল বিগ্রেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে অপতৎপরার মাধ্যমে বদলি করতে ভিবিন্ন কৌশল অবলম্বন করে দৌড়ঝাঁপ শুরু করছেন। এই পরিচালক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ওয়ালে প্রতিদিন স্ট্যাটাসে সাধারণ মানুষদের পরামর্শ দিচ্ছেন।

এখন বৃহত্তর ময়মনসিংহের ৩ কোটি জনগোষ্ঠী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এমএমসিএইচ ৮০ ভাগ সেবা পাচ্ছে। ৯৫ ভাগ রোগী পাচ্ছেন চিকিৎসা সেবা। ওষুধ সেবা পাচ্ছে ৭৫ ভাগ। সাধারণ মানুষ উপকৃতও হচ্ছেন। সাধারন মানুষকে সেবা দেয়ার জন্য বিগ্রেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন আহমেদ গত এক বছর কয়েক মাসে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডায়াবেটিস আউডোর চালু করেছে। ডেনটাল বিভাগে ১২ টি ডেনটাল চেয়ার কিনা হয়েছে। আগে যেখানে ১৭০০ থেকে ১৮০০ রোগী ভর্তি হতো এখন গড়ে ২৪০০ রোগী ভর্তি থাকে।

আউটডোরে পূর্বে ১৫০০ রোগী আসত বর্তমানে ৩০০০ রোগী আসছেন। হাসপাতালের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য যা করা হয়েছে তা দৃশ্যমান। পুরো হাসপাতালের নিরাপত্তার স্বার্থে নীচতলায় ১৩ লক্ষ টাকায় গ্রিল করা হয়েছে। কনফারেন্স রুম আধুনিক করা হয়ছে।
এক্সে বিভাগে ৩৬ লক্ষ টাকা খরচ করে ২ টি আলট্রাসাউন্ড মেসিন ক্রয় করা হয়েছে। এক্সে বিভাগের আধুনিক করার কাজে ২৭ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। এগুলো দিয়ে সাধারণ মানুষ সেবা নিচ্ছে এবং উপকৃত হচ্ছে।

জানা যায়, পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন আহমেদ এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর সত্যথা যাচাই করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। দুটি তদন্ত কমিটির মধ্যে একটি তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। আর একটি যাচাই করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর স্বাস্থ্য সচিব সিরাজুল খান ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন আহমেদ এর সাথে কথা বলেছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ওয়ালে তিনি স্ট্যাটাসে জানিয়েছেন, মাননীয় স্বাস্থ্য সচিব সিরাজুল খান সারের আন্তরিকতা। আমি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাস্পাতালের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন কালে আজ মাননীয় স্বাস্থ্য সচিব সার হাসপাতলের সমস্যা গুলো খুব আন্তরিকতা নিয়ে শুনেছেন এবং সম্ভব সব কিছু করার আশ্বাস দিয়েছেন। রাস্টের এত বড় দায়িত্বে থেকেও তিনি নিজে স্বপ্রনোদিত হয়ে হাস্পাতালের বিষয় গুলো ধৈর্য সহকারে শুনেছেন। আমি ব্যক্তিগত ভাবে খুব কৃতজ্ঞ সারের এ ভাল গুনটির পরিচয় পেয়ে। মহান আল্লাহতালা যেন উনাকে উত্তম প্রতিদান প্রদান করেন। আমিন……।

ব্রেকিং নিউজঃ