| |

ধোবাউড়া অতিদরিদ্রের জন্য কর্মসৃজন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি

আপডেটঃ 7:07 pm | February 26, 2017

Ad

ধোবাউড়া সংবাদদাতাঃ  ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে অতি দ্ররিদ্রের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় ২০১৬=১৭ অর্থবছরের ১ম পর্যায়ের কাজ গত ২৫ ফেব্রুয়ারী শুরু হয়েছে। কোন আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ছাড়াই প্রকল্প তালিকা অনুমোদন ছাড়াই চুপি চুপি প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়। বিধি মোতাবেক প্রকল্প ও শ্রমিক তালিকা  ওয়েবসাইটে প্রকাশের কথা থাকলেও বরাবরের মতোই এবারও তা প্রকাশ করা হয়নি। প্রকল্প তদারকিতে নিয়োজিত ট্যাগ অফিসারদের হাতে প্রকল্প তালিকা না দিয়ে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে নামমাত্র কাজ করিয়ে সিংহভাগ অর্থ লুটপাটের পাঁয়তারা চলছে। এ ব্যাপারে ধোবাউড়া কর্মরত সাংবাদিকরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের কাছে প্রকল্প তালিকা, বরাদ্ধের পরিমাণ, শ্রমিক সংখ্যা সম্পর্কে তথ্য চাইলে তিনি নানা অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন। একাধিক সূত্রমতে, উক্ত কর্মসূচির ৬৩টি প্রকল্পে ১ম পর্যায়ে ২হাজার ৮শত ৬৮জন শ্রমিকের অনুকূলে প্রায় ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ রয়েছে। ইতিমধ্যে তালিকাভূক্ত শ্রমিকের নাম পরিবর্তন করে ব্যাংক হিসাব খোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজ্বী মোহাম্মদ মজনু মিয়ার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ শুরুর বিষয়টি তিনি জানেননা। বাঘবেড় ইউনিয়নের ট্যাগ অফিসার বদরুজ্জামান ও দ: মাইজপাড়া ইউনিয়নের ট্যাগ অফিসার জানান, তারা এখনও প্রকল্প তালিকা পাননি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন ময়মনসিংহে জরুরী সভায় থাকায় তাঁর সরাসরি বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। সরেজমিনে পোড়াকান্দুলিয়া ইউনিয়নের বতিহালা বাজার সংলগ্ন উত্তর পার্শ্বে একটি প্রকল্পে গিয়ে ৮০জন শ্রমিকের স্থলে ২২জন ও গোয়াতলা ইউনিয়নের হরিপুরে ১৮ জন শ্রমিককে কাজ করতে দেখা যায়। এভাবেই উপজেলার সাত ইউনিয়নে দায়সারা ভাবে শুরু হয়েছে ইজিপিপি’র কাজ। অভিযোগ রয়েছে, শ্রমিকদের হাজিরা ভিত্তিতে কাজ না করিয়ে চুক্তি ভিত্তিক হাজার হিসেবে মাটি কাটানো হচ্ছে। কোন কোন ইউনিয়নে কর্মসৃজন প্রকল্পে ভেকু বা লড়ি দিয়ে মাটি কাটার কাজ করানোর পাঁয়তারা চলছে। এতে বঞ্চিত হবে অতিদরিদ্র অসংখ্য শ্রমিক। (চলমান)

ব্রেকিং নিউজঃ