| |

যৌনহয়রানি নির্মূলকরনে মেয়েদের নিরাপদ নাগরিকত্ব(মেজনিন) কর্মসূচির উদ্যোগে ময়মনসিংহে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা

আপডেটঃ 12:19 am | March 05, 2017

Ad

মো: নাজমুল হুদা মানিক ॥ ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি বিভাগের ‘মেয়েদের জন্য নিরাপদ নাগরিকত্ব’ (মেজনিন) কর্মসূচির উদ্যোগে ২মার্চ‘১৭ ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের নিয়ে একটি যৌন হয়রানি নিমর্ূূলকরণে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সহসভাপতি এ জেড এম ইমাম উদ্দিন মুক্তার সভাপতিত্বে  সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক ও জেলা নেটওয়ার্ক সদস্য আলহাজ্ব মো: বাবুল হোসেন। মতবিনিময় সভায় সিনিয়র সাংবাদিক আতাউল করিম খোকন, আব্দুল হাশিম, মীর গোলাম মোস্তফা, রবীন্দ্রনাথ পাল, জাহাঙ্গীর আলম লিটন, শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ, শরিফুজ্জামান টিটু, এম এ আজিজ, মো: নাজমুল হুদা মানিক, বিপ্লব বসাক, মঈন উদ্দিন রায়হান, সোহরাব উদ্দিন খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভায় জেলা ব্র্যাক প্রতিনিধি ফারহানা মিল্কী, জুনিয়র সেক্টর স্পেশালিস্ট নাজমা ইয়াসমিন, জহিরুল আকন্দ বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন। তাদের সহায়তা করেন জেলা নেটওয়ার্ক আহবায়ক এডভোকেট এইচ এম হাবিব, জেলা নেটওয়ার্ক সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক নিয়ামুল কবীর সজল তাদের সহায়তা করেন। এসময় জেলা নেটওয়ার্ক সদস্য আনিস মিয়া সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় মেজনিন কর্মসূচির জুনিয়ার সেক্টর স্পেশালিস্ট আননিসা খানম বলেন, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, স্কুল থেকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার অন্যতম কারণ হল যৌন হয়রানি। এর কারণে অভিভাবকরা এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতা ও অনিশ্চয়তা বোধ করেন এবং পরিণামে শিক্ষার্থীদের বাল্যবিবাহ দেওয়া হয়। এর ফলে মেয়েদের সামর্থ্য ও সম্ভাবনার বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১০ সাল থেকে ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি বিভাগের ‘মেয়েদের জন্য নিরাপদ নাগরিকত্ব’ (মেজনিন) কর্মসূচি চালু আছে। এর মাধ্যমে ঢাকাসহ ১৩টি জেলার ৪০৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি শিক্ষক, অভিভাবক, স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য ও কমিউনিটির সদস্যদের ঐক্যবদ্ধ করে নারীর প্রতি যৌন হয়রানি ও সহিংসতা প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সভায় উপস্থিত সকলে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। আলোচনায় যে বিষয়গুলো উঠে আসে, পরিবার থেকেই ছেলে মেয়েদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও প্রতিকারে যার যার অবস্থান থেকে উদ্যোগ নিয়ে সকলে মিলে সম্মিলিত উদ্যোগ গড়ে তুলবেন। তারা অরো অঙ্গীকার করেন যে, তারা নিজেরাই উদ্যোগী  হয়ে যে সব এলাকায় যৌন হয়রানি সংঘটিত হয় সে এলাকা গুলো চিহ্নিত করে যৌন হয়রানি মুক্ত করতে কাজ করবেন।

ব্রেকিং নিউজঃ